সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শালিখায় ট্রাকে ভ্যানকে সাইড দেওয়াকে কেন্দ্র করে হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে মাগুরায় ২ কেজি গাঁজাসহ দুই ব্যক্তি গ্রেফতার শ্রীপুরে জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ শ্রীপুরে রাধানগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন সভাপতি রেজভী আহমেদ মাগুরায় মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড মাগুরায় বিএনপি নেতা মশিয়ার হত্যা মামলায় সাবেক ওসি বিপ্লব ও এসআই ইসমাইল কারাগারে মাগুরায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনাসভা  মাগুরায় মোটরসাইকেল ও ট্রাকের সংঘর্ষে যুবকের মৃত্যু ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি স্মরণে মাগুরায় ছাত্রশিবিরের পোস্টারিং মাগুরায় সুরুচি আইসক্রিম ফ্যাক্টরিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা

মাগুরা শ্রীপুরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়েই চলছে অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা কার্যক্রম চরম বিঘ্নিত 

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৮৯ বার পঠিত

মহসিন মোল্যা, শ্রীপুর (মাগুরা) প্রতিনিধিঃ

মাগুরার শ্রীপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়েই। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম চরম বিঘ্নিত হচ্ছে। এমন সমস্যায় চরম উদ্বিগ্ন অভিভাবকেরা। তবে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এ সমস্যার উত্তরণ হবে। এবং প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি হবে এমনটাই আশা তাদের।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় মোট ৮৪ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২১ টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়েই। ফলে প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব পালন করছেন ২১ জন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। শিক্ষকদের অবসরে যাওয়া, অবসর পরে পদোন্নতি না হওয়া, নতুন শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ থাকা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এই শূন্যতা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের সাথে কথা বললে তারা জানান, প্রধান শিক্ষক সংকটে ব্যাহত হচ্ছে শ্রেণি পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রয়েছে জনবল ও শ্রেণিকক্ষ সংকট। উপজেলায় ৮৪ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২১টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য।  এতে মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহতের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় অনীহা বাড়ছে।

উপজেলার বড়তলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান (ভারপ্রাপ্ত) বলেন, গত ২০২৩ সালের মার্চ মাস থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছি। প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হওয়ায় শ্রেণি পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। একজন শিক্ষককে অতিরিক্ত দুই তিনটি শ্রেণি পাঠদান ছাড়াও বিভিন্ন সময় প্রশাসনিক কাজে উপজেলা শিক্ষা অফিসে যেতে হয়। যার ফলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হয়।

শ্রীপুর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল হাসেম বলেন, বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকটে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান।

প্রধান শিক্ষক সংকট বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশিদ জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হওয়াতে একাডেমিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। প্রধান শিক্ষকের কাজ সহকারীরা করছেন। সময় মত শ্রেণি পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। প্রধান শিক্ষক ছাড়াও আছে শ্রেণিকক্ষ সংকট। শিক্ষা অফিসের ৪ টি ইউডিএ পদের ১ জন দিয়ে অফিস পরিচালনা করছি। প্রধান শিক্ষক সংকট বিষয়ে শিক্ষা অধিদপ্তর ও মন্ত্রনালয় ওয়াকিবহাল আছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর