রাইসুল ইসলাম অপু,যশোর প্রতিনিধি:
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্যে দিয়েই এদেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে। ২৫ মার্চ তাজউদ্দিন আহমেদ শেখ মুজিবকে স্বাধীনতার ঘোষণার আহবান জানালে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। শেখ মুজিব বলেন আমি এখন স্বাধীনতা ঘোষণা করলে আমাকে এখন ফাঁসির মঞ্চে ঝুলতে হবে। মঙ্গলবার বিকেলে যশোর টাউন হল ময়দানে জেলা বিএনপি আয়োজিত মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ২৬ শে মার্চ মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তিনিই হচ্ছেন স্বাধীনতার ঘোষক। ৭ ই মার্চে শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন নাই। তিনি সেদিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য দরকষাকষি করেছিলেন। সৈনিকদের ক্যান্টনমেন্টে চলে যেতে বলেছিলেন। সেদিন স্লোগান উঠেছিল জয় বাংলা না জয় পাকিস্তান। ফলে জয় বাংলা স্বাধীনতার স্লোগান হতে পারে না।
জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম এর সভাপতিত্ব আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বিএনপি’র খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাবেক কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তি, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় নেতা, বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব, কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হোসেন আজাদ, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক সেতু, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনজারুল হক খোকন, চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, মনিরামপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এডভোকেট শহীদ ইকবাল , শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খাইরুজ্জামান মধু, অভয়নগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম হায়দার ডাবলু, জেলা যুবদলের সভাপতি এম তমাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আনসারুল হক রানা, জেলা মহিলাদলের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসী বেগম প্রমূখ।
আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।