সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শালিখায় ট্রাকে ভ্যানকে সাইড দেওয়াকে কেন্দ্র করে হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে মাগুরায় ২ কেজি গাঁজাসহ দুই ব্যক্তি গ্রেফতার শ্রীপুরে জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ শ্রীপুরে রাধানগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন সভাপতি রেজভী আহমেদ মাগুরায় মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড মাগুরায় বিএনপি নেতা মশিয়ার হত্যা মামলায় সাবেক ওসি বিপ্লব ও এসআই ইসমাইল কারাগারে মাগুরায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনাসভা  মাগুরায় মোটরসাইকেল ও ট্রাকের সংঘর্ষে যুবকের মৃত্যু ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি স্মরণে মাগুরায় ছাত্রশিবিরের পোস্টারিং মাগুরায় সুরুচি আইসক্রিম ফ্যাক্টরিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা

সামাজিক কোন্দলে নিঃস্ব একটি পরিবার, কেউ খোঁজ রাখেনি অসহায় নাসরিনের

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৯ জুন, ২০২৫
  • ১০৬ বার পঠিত

শ্রীপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি :

মাগুরার শ্রীপুরে সামাজিক কোন্দলে ক্ষতিগ্রস্থ নাসরিন নাহার ও তার পরিবার চরম অসহায়ত্বের মধ্যে দিনযাপন করছে। পরিবারের অভিযোগ গত ১৫ জুন রবিবার সকালে উপজেলার আমতৈল গ্রামের দু’পক্ষের সংঘর্ষের সময় প্রতিপক্ষের দেওয়া আগুনে তার বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঐ দিন প্রতিপক্ষের লোকজন আরো অর্ধশতাধিক বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাট চালায়। এখন মাথা গোজার ঠাই হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে পরিবারটি। সহায় সম্বল হারিয়ে চরম অসহায়ত্বের মধ্যে দিশেহারা হয়ে পড়েছে ৪ সদস্যের পরিবারটি। এখন পর্যন্ত কেউ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়নি। এ ঘটনায় ১৬ জুন সোমবার ইখলাস শেখের স্ত্রী নাসরিন নাহার বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় ৩৯ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং ১২৪/২৫।

রবিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইখলাস শেখের বসবাসের জন্য মাত্র দুইটি ঘর। এক ঘরে কলেজ পড়ুয়া মেয়ে এবং অন্য ঘরে তার স্বামী-স্ত্রী বসবাস করতো। গত ১৪ জুন শনিবার রাতে প্রতিপক্ষের লোকজন একটি বসতঘর ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। পরের দিন সকালে প্রতিপক্ষের লোকজন আবারো অপর ঘরে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ করে পরিবারের সদস্যরা। ইখলাস শেখের মাঠে কোন জমিজমা নেই। ভাড়ায় ব্যাটারি চালিত অটোবাইক চালিয়ে কোন মতে সংসার চলতো। বর্তমানে এ উপার্জনও বন্ধ হয়ে গেছে। সব কিছু হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে পরিবারটি।

এ বিষয়ে ইখলাস শেখের স্ত্রী নাসরিন নাহার জানান, আমার সব শেষ হয়ে গেছে। রান্নার চুলা জ্বলছে না। দু’বেলা দু’মুঠো খেয়ে বাঁচবো তার ও উপায় নেই। ভাঙচুর হওয়া ঘরে গাদাগাদি করে কোন মতে রাত কাটছে। ঘরের বেড়া না থাকায় কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছি। ঘর ঠিক করবো সে সামর্থ্য নেই। অনেকে এসেছে, দেখে গেছে কিন্তু কোন সহায়তা করেনি। এ জীবনে বেঁচে থাকার চেয়ে মরাই ভালো।

রিপোর্ট : মহসিন মোল্যা, শ্রীপুর উপজেলা, মাগুরা।

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর