সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শালিখায় ট্রাকে ভ্যানকে সাইড দেওয়াকে কেন্দ্র করে হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে মাগুরায় ২ কেজি গাঁজাসহ দুই ব্যক্তি গ্রেফতার শ্রীপুরে জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ শ্রীপুরে রাধানগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন সভাপতি রেজভী আহমেদ মাগুরায় মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড মাগুরায় বিএনপি নেতা মশিয়ার হত্যা মামলায় সাবেক ওসি বিপ্লব ও এসআই ইসমাইল কারাগারে মাগুরায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনাসভা  মাগুরায় মোটরসাইকেল ও ট্রাকের সংঘর্ষে যুবকের মৃত্যু ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি স্মরণে মাগুরায় ছাত্রশিবিরের পোস্টারিং মাগুরায় সুরুচি আইসক্রিম ফ্যাক্টরিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা

সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের ন্যায়বিচার দাবি কেশবপুর মডার্ণ হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যু

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৭৯ বার পঠিত

সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের ন্যায়বিচার দাবি (সাব টাইটেল)

 

 

রাইসুল ইসলাম অপু,যশোর প্রতিনিধি:

যশোরের কেশবপুর উপজেলার আলোচিত মডার্ণ হাসপাতালে অবহেলার ও ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যু এবং প্রসুতির জরায়ু কেটে ফেলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগি পরিবার। এ ঘটনায় সম্পৃক্তদের শাস্তি ও যশোরে নায্য বিচার দাবি করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ফিরোজা বেগম। লিখিত বক্তব্য মোতাবেক জানা গেছে , গত ২২ শে নভেম্বর মণিরামপুর উপজেলার ঝাপা গ্রামের বাসিন্দা ফিরোজা বেগমের মেয়ে জলি গর্ভবতী অবস্থায় পেটে যন্ত্রণা অনুভব করলে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক শাহিনুর রহমানের পরামর্শে কেশবপুর মডার্ণ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানকার চিকিৎসক আবু বক্কার সিদ্দিকী জরুরি ভিত্তিতে সিজার অপারেশনের পর নবজাতক পুত্র সন্তানের মৃত্যু হয়। কিন্তু এরপরও অবস্থা অবনতির দিকে চলে গেলে ক্লিনিক মালিক রবিউল ইসলাম ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা যথাযথ চিকিৎসা দেননি।

অপারেশনের পর মায়ের শরীরের অবস্থা খারাপ হলে, তাদের ধারণা ছিল যে তার জরায়ু কেটে ফেলা হয়েছে। যা পরবর্তীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়। পরীক্ষা নিরিক্ষার রিপোর্টে জানা যায়, মায়ের জরায়ু কেটে ফেলা হয়েছে। ফলে এখন তিনি সন্তান ধারণের ক্ষমতা হারিয়েছেন।

 

এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কেশবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা খান শরীফুল ইসলাম অভিযোগকারীদের সঙ্গে অসদাচরণ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ক্লিনিক মালিক রবিউল ইসলাম ও চিকিৎসক আবু বক্কার সিদ্দিকী এবং পল্লী চিকিৎসক শাহিনুর রহমানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিযোগকারী পরিবার সাংবাদিকদের মাধ্যমে ন্যায়বিচার ও প্রতিকার দাবি করেছেন।

 

ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণে তাদের জীবনে মারাত্মক ক্ষতি হওয়ায়, ফিরোজা বেগম ও তার পরিবার এখন আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। যাতে আর কোনো পরিবার এই ধরনের ঘটনার শিকার না হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ফিরোজা বেগম, তার স্বামী শফিকুল ইসলাম ও মেয়ে জলি আক্তার উপস্থিত ছিলেন।

 

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর