শ্রীপুর উপজেলার নাকোল ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাকির হোসেন মোল্যার ক্রয়কৃত জমিজমা সংক্রান্ত মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো ও হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সেলিনা খাতুন ওরফে শিলা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী ওই ইউপি সদস্য।
তবে গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সেলিনা খাতুন মাগুরা জেলা পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে ওই নারীর করা অভিযোগের কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে দীর্ঘদিনের এ জটিল সমস্যা সমাধানে বৃহস্পতিবার বিকেলে শ্রীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আসমাউল হুসনা পিংকী সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে ইউপি সদস্য ও প্রবাসীর স্ত্রীর জমি মেপে বুঝিয়ে দেন।
এলাকায় খোঁজ নিয়ে কয়েক জন ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা যায়, এই ৫ শতক জমি ইউপি সদস্য জাকির হোসেন মোল্যার ক্রয়কৃত। এই জমির বর্তমান মালিক তিনি নিজেই। কিন্তু সেলিনা খাতুন শিলা কোন বুনিয়াদে জমির মালিকানা দাবি করছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়৷
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য জাকির হোসেন মোল্যা বলেন, “আমি বৈধভাবে ৭৬ নং নাকোল মৌজার আর এস ১৭৮৩, ১৭৮৫, ১৪২২, ২০০৮ ও ২২৬১ নং দাগে ৫ শতক জমি কিনেছি। কিন্তু সেলিনা খাতুন শিলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে এবং আমাকে হয়রানি করছে। এসপি অফিসে গিয়ে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েই তিনি ক্ষ্যান্ত হয়নি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়েছে। এতে আমার পারিবারিক ও সামাজিকভাবে সম্মানহানি হচ্ছে। যদি আমার এই দাগে তিনি এক ফোটা জমিও তিনি পেয়ে থাকেন এবং দলিল দেখাতে পারেন, আমি সাথে সাথে তার জমি দিয়ে দিবো।
তিনি আরো বলেন, আমার জায়গায় আমি ঘর তুলেছি, টিনের বেড়া দিয়েছি এজন্য তিনি আমার নামে এসপি অফিসে অভিযোগ দিয়েছেন। তার জমি না, তিনি আমার জমিই জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছেন। আমি না কি রাতের আঁধারে ঘর করেছি। আমার জমিতে আমি ঘর করবো, রাতের আঁধারে করবো কেন? তিনি আমার নামে নারী নির্যাতনের মামলা করবেন বলেও হুমকি দিচ্ছেন। আমি তার এমন আচরণে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সেলিনা খাতুন শিলার বক্তব্য জানার চেষ্টা করেও তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।