শহিদুজ্জামান চাঁদ, শালিখা (মাগুরা) প্রতিনিধিঃ
মাগুরার শালিখা উপজেলার চিত্রা নদীর হরিশপুর এলাকায় অবৈধ আড়বাঁধ ও চায়না দোয়াড়ী দিয়ে পানির প্রবাহ বন্ধ করে অবাধে দেশী জাতীয় মাছ শিকার করছিলেন এলাকার নিরঞ্জন কুমার দাসের ছেলে সঞ্জয় কুমার দাস ৷ এব্যাপারে একাধিক পত্রপত্রিকা ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পরে নড়েচড়ে বসে উপজেলা প্রশাসন৷ এরপর শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বনি আমিন এর নির্দেশে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফেরদৌস আক্তার ৮ ডিসেম্বর সকালে উপজেলার শতখালী ইউনিয়নের হরিশপুর এলাকার চিত্রা নদীতে অভিযান চালিয়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৩টি আড়বাঁধ,চায়না দুয়ারী ২৭ পিচ চায়না দোয়াড়ী নদী থেকে জব্দ করে উপজেলা সদর আড়পাড়া সরকারি আইডিয়াল হাইস্কুল মাঠে এনে আগুনে পুড়িয়ে ধংবস করা হয়৷ এর আগে উপজেলা প্রশাসন সহ শালিখা প্রেসক্লাবে

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, চিত্রা ও ফটকী নদী সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ ভাবে বাঁশ, কাঠ ও চান দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করে মাছ দেশী জাতীয় মাছ শিকার করছেন প্রভাবশালীরা৷ কিন্তু প্রশাসনের নাকের ডোগাই এমন অবস্থা চললেও কোন প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না ৷

এলাকাবাসী জানাই ক্ষ্যাপলা জাল বা বর্ষি দিয়ে মাছ ধরতে গেলে আমাদেরকে মারধোর করে নানা ভয় ভীতু দেখাই৷ নদী ও খালে আড়বাঁধ দেওয়ায় নদীর স্বাভাবিক ভাবে পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। বাঁধের পাশে নদীর পাড়ে খুপরি ঘর বানিয়েছেন প্রভাবশালীরা। এছাড়া নদীর বেশ কয়েকটি জায়গায় নেট দিয়ে আটকে দেয়া রয়েছে পানির প্রবাহ৷ এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের দাবী উপজেলার চিত্রা,ফটকী, কানুর খাল এবং ধনেশ্বরগাতী,বিল,বুরোল বীল, হাবুড়ের খাল ও বরইচার খাল,ছান্দড়ার খালসহ বিভিন্ন খাল বিল থেকে আড়বাঁধ উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখবেন প্রশাসন ৷
