শহিদুজ্জামান চাঁদ,শালিখা মাগুরা প্রতিনিধিঃ
মাগুরার সদর উপজেলার সত্যপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এডহক কমিটি গঠন নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে৷ জানা গেছে,
মাগুরার সদর উপজেলার সত্যপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এডহক কমিটি গত ১৯ ফেব্রয়ারি তারিখে যশোর শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক অনুমোদন দেওয়া হয় ৷ কিন্তু স্কুল পরিচালনা এডহক কমিটি গঠনের জন্য ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষক বাবু সুনীল কুমার ঘোষ ইউনিয়ন থেকে জেলার বিএনপির উর্ধতন মহলের সাথে আলোচনা প্রেক্ষিতে ১ নং মোঃ খাইরুল ইসলাম সবুজ ২ নং মোঃ বশির আহম্মেদ ৩ নং ফাইম রানা ফরহাদকে স্কুল পরিচালনা এডহক কমিটির জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট প্রস্তাব পাঠান৷ উপজেলা অফিস সকল যাচাই বাছায় প্রক্রিয়া শেষে উপরক্ত নাম ঠিক রেখে জেলা প্রশাসকের দপ্তরে প্রেরণ করেন৷ সেখানেও মোঃ খারুল ইসলাম সবুজকে ১ নাম্বারে রেখে যশোর শিক্ষাবোর্ডে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়৷ প্রশ্ন উঠেছে শিক্ষা বোর্ড থেকে কিশের বলে ১নং খাইরুল ইসলাম সবুজকে বাদ রেখে ৩ নং থাকা ফাইম রানা ফরহাদকে সভাপতি করে একটি চিঠি স্কুলে কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়৷ এই ঘটনায় এলাকায় একটি অশান্তি সৃষ্টি করাসহ রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষের রুপ নিচ্ছে বলে খাইরুল ইসলাম সবুজ জানিয়েছেন৷ তিনি আরও বলেন,১ নং তালিকায় আমার নাম থাকলেও ৩ নং তালিকার ফাইম রানা ফরহাদ বিভিন্ন উর্ধতন মহলে অবৈধ সখ্যতার কারনে আহবায়ক হতে পারে বলে আমার ধারনা৷ তবে এলাকায় সুশীল সমাজের প্রশ্ন যে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজ পথে থাকা আহত সাংবাদিক খাইরুল ইসলাম সবুজ,যার নেতৃত্বে মঘি ইউনিয়নের বিএনপির লোকজন সু-সংগটিত ছিলো তাকে বাদ দিয়ে একজন জুনিয়র ছেলেকে দিয়ে এ ঐতিয্যবাহী সত্যপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এডহক কমিটি কি ভাবে হয়৷ তাহলেকি বোর্ড কর্তৃপক্ষের উদাসিনতায় বা অন্য কোন অবৈধ উপয়ের ফলে সে এই এডহক কমিটির সভাপতি হলো৷ এই প্রশ্ন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে৷ এব্যাপারে সত্যপুর গ্রামের ফারুক আহমেদ, সাগর হোসেন,ছয়চার গ্রামের নুর ইসলাম সহ আরও অনেকেই জানান,সত্যপুর বহুমুখী বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি খাইরুল ইসলাম সবুজকে বাদ দিয়ে গোপনে অবৈধ সখ্যতার মাধ্যমে ফাইম রানা ফরহাদকে সভাপতি করা হয়েছে৷ আমরা এই এডহক কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি দেওয়ার জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি৷ তা না হলে এলাকায় রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষ সহ যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে৷ এব্যাপারে সত্যপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমার ঘোষের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি খাইরুল ইসলাম সবুজকে এক নাম্বারে দিয়ে বোর্ডে কাগজ পাঠিয়েছি৷ বোর্ড থেকে কি ভাবে তাকে তিন নান্বারে দিয়ে বাদ দিলো তা আমার বধোগম্য নয় ৷ তবে বিষয়টি নিয়ে যশোর শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে একাধিক বার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করতে চাইলেও তাঁরা ফোনটা রিসিভ করেননি৷