আলী হোসেন বিজয়নগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি :
বিজয়নগরে মিথ্যা মামলা আসামী হওয়ায় বিপাকে পড়েছে দুই ব্যবসায়ী।
মিথ্যা মামলার আসামী হওয়ার কারণে এখন তারা তাদের ব্যবসা-বানিজ্য ফেলে দিয়ে পুলিশের কাছে ধরা পড়ার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে দুই ভাই।
এ নিয়ে ব্যবসায়ী ও ভোক্তভুগী পরিবারের মাঝে বিরাজ করছে আতংক। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বুধন্তি ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে।ভুক্তভোগী পরিবার ও বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী জানান,ইসলামপুর বাজারে সুরাইয়া টেলিকমের মালিক সুহেল মিয়া ও সুরাইয়া ট্রেডার্স এর মালিক মনির মিয়া আপন দুই ভাই
তারা দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে ইসলামপুর বাজারে ব্যবসা করে আসছে। তাদের সাথে কখনো কারো কোন বিবাদ হয়নী এবং ছিলনা ।
তাদের দুজনকে দদআলামিন (২৮)নামে এক ছেলেকে কিছু দুষ্কৃতকারী লোক হামলা চালিয়ে আহত করলে তা বাবা বাদি হয়ে মামলা করলে তাদের দুইভাইকে আসামী করেন।
মামলা সুত্রে জানা যায়, গত ২৪/০৯/২৪ ইং তারিখ সন্ধ্যায় উপজেলার ঢাকা সিলেট মহাসড়কের শ্যামলী ঘাট এলাকায় কিছু লোক এলোপাতাড়ি হামলা চালিয়ে আলামিন (২৮) কে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে আহত করে।এ ঘটনায় আলামিনের পিতা জালাল মিয়া বাদি হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজ্ঞ আদালতে ৭ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।মামলা নং ৯৬৭/২৪ইং। তবে এসময় সুহেল মিয়া ও মনির মিয়া ইসলামপুর বাজারে ব্যবসা করছিল। তবে তাদেরকে ব্যবসা কার্যক্রম থেকে দূরে রাখতে ও ভোগান্তিতে ফেলতে পরিকল্পিত ভাবে তাদের দুই ভাইকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেন।এতে করে তারা ব্যবসা ফেলে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে।এ ব্যাপারে ইসলামপুর বাজারের ব্যবসায়ী লুতফুর রহমান বলেন, ঘটনার সময় তারা দোকানে ব্যবসা করছিল।মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদেরকে হয়রানি করছে। এই ভাবে ভাল মানুষদের মামলা দিয়ে হয়রানি করলে এলাকায় মানুষ চলতে পারবে না।শাহাআলম মিয়া বলেন,মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে।তাদের বাড়ির পাশের জমি দখল করার জন্য দুই ভাইকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।যাতে করে তাদের থেকে জায়গা নিয়ে নিতে পারে।রহিম মিয়া জানান, সুমন ও আলামিনের মধ্যে ঝামেলা থেকে এই ঘটনা হতে পারে।তবে এই ঘটনায় সুহেল ও মনির মিয়া নির্দোষ। তারা সারাদিন ব্যবসা নিয়ে ব্যাস্ত থাকে এবং কারো সাথে কোন সময় ঝগড়া বিবাদ করতে দেখিনি।এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী সুহেল মিয়া জানান,আমরা দুই ভাই সারাদিন ব্যবসা নিয়ে ব্যাস্ত থাকি।ঘটনার সময় আমরা দোকানেই ছিলাম।মামলার কারণে আমরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসতে পারি না। মামলার বাদির সাথে আমাদের কোন বিরোধ নেই তবে তাদের বাড়ির পাশে আমাদের জায়গা আছে।তারা মনে হয় টাকা ও জায়গা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য আমাদের মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।
উল্লেখ যে, মোঃ মনির মিয়াকে ৬ ও মোঃ সোহেল ময়াকে ৭ নং আসামী করা হয়েছে।