সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শালিখায় ট্রাকে ভ্যানকে সাইড দেওয়াকে কেন্দ্র করে হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে মাগুরায় ২ কেজি গাঁজাসহ দুই ব্যক্তি গ্রেফতার শ্রীপুরে জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ শ্রীপুরে রাধানগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন সভাপতি রেজভী আহমেদ মাগুরায় মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড মাগুরায় বিএনপি নেতা মশিয়ার হত্যা মামলায় সাবেক ওসি বিপ্লব ও এসআই ইসমাইল কারাগারে মাগুরায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনাসভা  মাগুরায় মোটরসাইকেল ও ট্রাকের সংঘর্ষে যুবকের মৃত্যু ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি স্মরণে মাগুরায় ছাত্রশিবিরের পোস্টারিং মাগুরায় সুরুচি আইসক্রিম ফ্যাক্টরিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা

এ বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে  ৪৪ টি মণ্ডপে উদযাপিত হবে দুর্গাপূজা

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৩৩ বার পঠিত

আলী হোসেন, বিজয়নগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)  সংবাদদাতাঃ

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে দেবী দুর্গা শক্তি ও সুন্দরের প্রতীক। প্রতিবছর অসুরের বিনাশ করতে দেবী এ ধরাধামে আবির্ভূত হন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, সমাজ থেকে অন্যায়-অবিচার ও গ্লানি দূর করার জন্যই এ পূজার আয়োজন। এ মুহূর্তে বিজয়নগর উপজেলার প্রায় প্রতিটি এলাকায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা দেবীকে বরণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ঘরে ঘরে চলে আসছে পূজা আর উৎসবের আমেজ।
আজ বুধবার থেকে  সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর  উপজেলা জুড়ে মোট ৪৪ টি পুজা মণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে।
মণ্ডপগুলোতে পুরোদমে কাজ করে সময় লেগেছে বেশ। দিনরাত কাজ করে প্রতিমা তৈরীর কারিগর ও মঞ্চ  তৈরীর কারিগরেরা শেষ করেছে মন্ডপের কাজ,সেই সাথে রংতুলির কাজও। মাটির অবয়বের কাজ শেষে রঙ তুলির আঁচড়ে অলংকরণ, সাজানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করেছেন মৃৎ শিল্পীরা। মঙ্গলবার( ০৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বিজয়নগর উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চৌধুরী জানান, বিগত বছরগুলোর মতো এবারো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে।
এ বছর উপজেলায় ৪৪ টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে বুধন্তী  ১৩টি, চান্দুরা ১৩টি, ইছাপুরা ০৩টি, হরষপুর ১০টি, পাহাড়পুর ০১টি, চম্পকনগর ০২টি, পত্তন ০১টি ও চরইসলামপুর ০১টি মন্ডপ রয়েছে।
ইতিমধ্যে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা সার্বিক সহযোগিতাসহ নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যাপক তৎপর রয়েছে বলে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চৌধুরী জানিয়েছেন এবং আগামী (৮ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়ে (১৩ অক্টোবর) দশমী পূজার মাধ্যমে দেবীকে বিসর্জন দেওয়ার মধ্যে দিয়ে এ আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে বলে জানা গেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাবেদুর রহিম  জানান, দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং নির্বিঘ্নে উদযাপনের লক্ষ্যে চারধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিমা তৈরী থেকে বিসর্জন পর্যন্ত সার্বিক নিরাপত্তায় কাজ করবে জেলা পুলিশ। ঝুঁকিপূর্ণ মন্দিরের তালিকা করে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া দুর্গাপূজা চলাকালিন মাদক, ইভটিজিং, ছিনতাই, পকেটমার প্রতিরোধে পুলিশের বিশেষ টিম তৎপর থাকবে। যেহেতু দর্শনার্থীদের সমাগম বাড়বে এজন্য সড়কে যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থাও জোরদার থাকবে। ইতিমধ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও আয়োজকদের সাথে সভা করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে কিছু দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তাদের। পুলিশ সুপার আরও জানান, সবার সহযোগিতায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্যদিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হবে এবারের দুর্গাপূজা এমনটাই আশা করছেন তিনি। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, দেবীদুর্গা দশদিন ধরে অসুরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। হিন্দু পঞ্জিকার সপ্তম মাসে এই যুদ্ধ শেষে দেবী দুর্গা মহিষাসুর নামে নির্দয় অসুর রাজকে বধ করেছিলেন। যার মাধ্যমে অত্যাচার থেকে মুক্তি মিলেছিল ও অশুভের ওপর শুভ শক্তি স্থাপিত হয়েছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর