সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শালিখায় ট্রাকে ভ্যানকে সাইড দেওয়াকে কেন্দ্র করে হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে মাগুরায় ২ কেজি গাঁজাসহ দুই ব্যক্তি গ্রেফতার শ্রীপুরে জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ শ্রীপুরে রাধানগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন সভাপতি রেজভী আহমেদ মাগুরায় মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড মাগুরায় বিএনপি নেতা মশিয়ার হত্যা মামলায় সাবেক ওসি বিপ্লব ও এসআই ইসমাইল কারাগারে মাগুরায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনাসভা  মাগুরায় মোটরসাইকেল ও ট্রাকের সংঘর্ষে যুবকের মৃত্যু ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি স্মরণে মাগুরায় ছাত্রশিবিরের পোস্টারিং মাগুরায় সুরুচি আইসক্রিম ফ্যাক্টরিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা

আশুগঞ্জে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, অভিযুক্তকে  পুলিশের হাতে তুলে দিল স্থানীয়রা।

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪০ বার পঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ধর্ষণের পর বালিশ চাপা দিয়ে ৭ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। কিছু গণধোলাই দিয়েছে তারা আগে।
অভিযুক্ত যুবকের নাম  জাহিদুল (১৮)। অভিযুক্ত জাহিদুলকে  পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার আগে শত শত জনতা পুলিশসহ অভিযুক্তকে একটি ভবনে ঘেরাও করে রাখে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার তালশহর ইউনিয়নের আন্দিদিল বাজারসংলগ্ন হাজী কুদ্দুস মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও শিশুটির পরিবারের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে জাহিদুল তার নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে শিশুটিকে প্রথম ধর্ষণ করে। পরে শিশুটি চিৎকার শুরু করলে বালিশ চাপা দিয়ে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়। পরে পরিবারের লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটি উদ্বাার করে চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক দুপুর আড়াইটায় শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
অভিযুক্ত জাহিদুল প্রতিবেশী মৃত মো. শাহ আলম মিয়ার ছেলে। জাহিদুল পেশায় রাজমিস্ত্রি কাজ করতেন বলে জানা যায়।
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল আলম চৌধুরী জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় জনতা জাহিদুলকে আটক করে তার চাচা আলমগীরের বাড়ির একটি কক্ষে আটকে রাখে।
ওসি আরো  জানান, খবর পেয়ে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় জনতা পুলিশ ও জাহিদুলকে ঘেরাও করে। এ সময় তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরে জেলা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এনে জাহিদুলকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, শিশুটির মরদেহ বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর