রাইসুল ইসলাম অপু, যশোর প্রতিনিধি:
সম্প্রতি আপ বাংলাদেশ যশোর জেলা আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আল মামুন লিখন ও সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন এনএস সজীব।
এছাড়াও কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন হাবিবুর রহমান, বাবুল আক্তার, ডা. হাসিবা নাসরিন এবং হাবিব আহমেদ শান।
যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আব্দুল্লাহ আল মামুন, আহনাফ তাহমিদ বাঁধন, আমীর মোস্তফা ফয়সাল, আকিফুর রহমান ও রিফা তামান্না।
এই কমিটিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, ডাক্তার, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। সর্বমোট ৫৭ সদস্যের এই আহ্বায়ক কমিটি যশোরে আপ বাংলাদেশের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
আহ্বায়ক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তরা জানিয়েছেন, আপ বাংলাদেশের লক্ষ্য হলো একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা। রাজনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সচেতন নাগরিক ও যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করাই হবে কমিটির মূল উদ্দেশ্য।
আপ বাংলাদেশ যশোর জেলার আহ্বায়ক আল মামুন লিখন জানান, “২৪ এর গণঅভ্যুত্থান এর পরে আমাদের আশা ছিলো একটা বৈষম্যহীন, ফ্যাসীবাদমুক্ত, নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিনির্মাণ করা। কিন্তু আমরা দেখেছি আমাদের আকাঙ্ক্ষার চূড়ান্ত বাস্তবায়ন কিছুই হয়নি। বরং অনেক ছাত্রনেতা দূর্নীতির সাথে আপোষ করে গেছেন। যশোর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এর কমিটিতে মুখ্য সংগঠক এর দায়িত্ব পালন করেছি। পরবর্তীতে নতুন রাজনৈতিক দল হয়েছে এক প্রকার তার অঙ্গ-সংগঠন হয়ে কাজ করছে অনেক বৈষম্যের নেতা কিন্তু এই প্ল্যাটফর্মটা তো ছিলো অরাজনৈতিক। আপ বাংলাদেশ এর সাথে পথচলা শুরু করার একটাই কারণ জুলাই গণঅভ্যুত্থান এর আকাঙ্ক্ষা নিয়ে তারা সত্যিকার অর্থে কাজ করছে। ৭১ এর চেতনা বিক্রি করা আওয়ামী ফ্যাসিবাদের মতো ২৪ এর চেতনা নতুন করে যারা বিক্রি করতে চাই তাদের কে হুশিয়ার ও সাবধান করছে আপ বাংলাদেশ। জুলাই শহীদ ও আহতদের আশা ও আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
নবগঠিত কমিটির সদস্য সচিব এনএস সজীব বলেন,
৪৭, ৭১ ও ২৪—প্রতিবারই সাধারণ ছাত্র-জনতার স্বপ্ন অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়েছে। আপ বাংলাদেশ জুলাই-এর আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে সৎ, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের দিকে এগিয়ে চলছে। আমরা চাই, এই ভূখণ্ডে আর যেনো দুর্নীতি, গুম, খুন, পেশিশক্তি, আধিপত্যবাদ ও ধর্মবিদ্বেষ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে। রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তনের লক্ষ্যে আমাদের এই পথচলা।